এ পার্কে আরও আছে আধুনিক বিনোদন ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন ধরনের রাইড যেমন_ মিনি ট্রেন, ব্যাটারি কার, প্যাডেল বোট, বৈদ্যুতিক দোলনা ইত্যাদি। কিন্তু আজ থেকে ৪ বছর আগে এখানে ছিল ভিন্ন এক পরিবেশ। এই প্রজেক্ট প্রসঙ্গে আতাউর বলেন, প্রজেক্টে আমি কাজ শুরু করি আজ থেকে ৪ বছর আগে। তখন এই জায়গাটা ছিল একটি বালুর স্তূপ। এই বালুমাটিকে আমি নিজস্ব পদ্ধতি ব্যবহার করে গাছের উপযোগী করে গড়ে তুলেছি। পার্কটির সমস্ত জায়গায় সবুজ ঘাসে আবৃত করেছি। এখানে প্লান অনুপাতে বিভিন্ন ফলদ, ফুল, বনজ ও অর্নামেন্টাল উদ্ভিদ দিয়ে সাজিয়েছি। এখানে গার্ডেন ম্যানেজারের তত্ত্বাবধানে কালচার পদ্ধতিতে পর্যটকদের খাওয়ার জন্য বিভিন্ন সবজি যেমন লাউ, কুমড়া, বাঁধাকপি, তরমুজ, আলু, পিঁয়াজ, মিষ্টি কুমড়া, শশা, লেটুস, পেঁপে, কলাসহ বিভিন্ন সবজি সম্পূর্ণ অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করা হয়। শীতকে সামনে রেখে নতুন করে বাগানটাকে সাজানোর চেষ্টা করছি। শুধু তাই নয় এই পার্কে সুন্দর করার জন্য যা যা দরকার হয় আমি তাই করব। এবং প্রমাণ করে দেব যে, আমাদের দেশের ছেলেরাও অনেক কাজ করতে পারে।
আলী আফতাব
তথ্য সুত্র: http://www.bangladesh-pratidin.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=07-11-2010&type=pratidin&pub_no=194&cat_id=3&menu_id=16&news_type_id=1&index=0
No comments:
Post a Comment